আস্থা ডেক্স : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল)সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি এবার চার প্রার্থী। আসনটির ভোটযুদ্ধে নেমেছেন দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি দুই কোটিপতি ও লাখপতি প্রার্থীসহ এক শিল্পপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী। নির্বাচন কমিশনে জমাকৃত হলফনামায় তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে।
আসনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন শিল্পপতি ও দেশের বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল। যিনি নিজস্ব ব্যবসা থেকেই বার্ষিক সম্মানী পান প্রায় ৩ কোটি টাকা। তিনি নির্বাচনী হলফনামায় দেখিয়েছেন অস্থাবর সম্পদ প্রায় ৯০ কোটি টাকার সমপরিমাণ ও স্থাবর সম্পদ ৬৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার সমপরিমাণ। এ ছাড়া স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে তাঁর স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১২৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকার।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আসনটির মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আযম খান একজন কোটিপতি। হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ দেখিয়েছেন তিনি প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার। এর মধ্যে স্থাবর সম্পদ ২ কোটি ৭০ লাখ আর অস্থাবর ১ কোটি ৭০ লাখ টাকার সমপরিমাণ।
এ ছাড়াও হলফনামায় তাঁর স্ত্রীর সম্পদ দেখিয়েছেন স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে ১৭ কোটি ১০ লাখ টাকার। অন্যদিকে, আযম খানের জামানত ঋণ দেখিয়েছেন প্রায় ৫৭ লাখ ও তাঁর স্ত্রীর জামানতবিহীন ঋণ রয়েছে ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।
আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান। তিনি পেশা শিক্ষকতা দাবি করেছেন। নিজের বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদে তাঁর নগদ টাকার পরিমাণ দেখিয়েছেন ২১ লাখ আর স্থাবর সম্পদের আর্থিক মূল্য ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা দেখিয়েছেন।
এছাড়া জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম খানের স্ত্রীর নামে ১০ লাখ টাকার জমি ও উপহার হিসেবে প্রাপ্ত ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ছাড়া কোনো সম্পদ নেই। তবে তিনি গৃহঋণ দেখিয়েছেন ১ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।
স্বতন্ত্র শিল্পপতি, বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থী কোটিপতি হলেও আসনের লাখপতি প্রার্থী জাতীয় পার্টির (জাপা) মনোনীত প্রার্থী নাজমুল হাসান রেজা। হলফনামায় তিনি দেখিয়েছেন, কৃষি খাত থেকে তাঁর বার্ষিক আয় মাত্র ২ লাখ টাকা।








