আস্থা ডেক্স : টাঙ্গাইলে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সমন্বয় সভা আর যুবদলের কর্মী সমাবেশের অনুমতি দেয়নি সখীপুর উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারী) বিকেলে কাদের সিদ্দিকীর উপজেলা বাসভবনে সমন্বয় সভা আর ওই ভবনের সামনের মসজিদ মাঠে যুবদল আয়োজিত কর্মী সমাবেশকে ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টির ফলে কোনোপক্ষকেই কর্মসূচী পালনের অনুমতি না দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল রনী।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা জানায়, গতকাল বুধবার (২১ জানুয়ারী) বিকেলে সখীপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাসভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীরকে নিয়ে সমন্বয় সভা ডাকেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী।
একই সময় পাল্টাপাল্টি কাদের সিদ্দিকীর বাসভবনের সামনের মসজিদ মাঠে দোয়া ও মাহফিলের আয়োজন করে স্থানীয় ওয়ার্ড যুবদল। যার ফলে ওই সমন্বয় সভা একদিন পিছিয়ে বৃহস্পতিবার করার সিদ্ধান্ত দেন কাদের সিদ্দিকী। অন্যদিকে,ওয়ার্ড যুবদলের দোয়া ও মাহফিলেই বৃহস্পতিবার ওই মাঠেই কর্মী সমাবেশ করার ঘোষণা দেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরহাদ ইকবাল। পাল্টাপাল্টি আয়োজিত দুই কর্মসূচিকে ঘিরে দিনব্যাপী শহরজুরে বিরাজ করছিল উত্তেজনা।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা প্রশাসন উভয় পক্ষের কর্মসূচি বন্ধ ঘোষণা করে। এছাড়াও বিকেলে কাদের সিদ্দিকীর বাসভবনের আশপাশে অবস্থান নেন ম্যাজিস্ট্রেটসহ বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ।
বাসভবনে অবস্থানরত কর্মীদের উদ্দেশ্যে কাদের সিদ্দিকী বলেন, সখীপুরের দল কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। ওই দায়িত্ব থেকেই সমর্থিত প্রার্থীর (স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর) পক্ষে কাজ শুরু করো। বিজয় সুনিশ্চিত হবে ইনশা আল্লাহ। এরপর সভা করব। যাব প্রতিটি ইউনিয়নে।’
অন্যদিকে, বিকেলে উপজেলা ডাকবাংলো মাঠে জড়ো হন বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। পরে সমবেত নেতাকর্মীরা ধানের শীষের মিছিল নিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।
এ বিষয়ে সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল রনী বলেন, অনুমতি না থাকায় দুই পক্ষকেই কর্মসূচী পালনে নিষেধ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট স্থানে ম্যাজিস্ট্রেটসহ বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকায় কোনো পক্ষই কর্মসূচি পালনের সুযোগ পায়নি।








